Admin

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর অনলাইনে বেতন নির্ধারণ নির্দেশিকা ও অনলাইন বেতন নির্ধারণ সহায়িকা ?

Table of Contents

Toggle

অনলাইন বেতন নির্ধারণী ২০২৪ ?

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর অনলাইনে বেতন নির্ধারণ নির্দেশিকা ও অনলাইন বেতন নির্ধারণ সহায়িকা ?

অনলাইনে বেতন নির্ধারণ নির্দেশিকার প্রথম অংশে ‘সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কর্তৃক করণীয়’ এবং দ্বিতীয় অংশে ‘হিসাবরক্ষণ অফিসের করণীয়’ বিষয়ে বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

১। সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কর্তৃক করণীয় বিষয়াবলী

ওয়েবসাইটে অনলাইনে বেতন নির্ধারণের জন্য যে কোন ব্রাউজারের মাধ্যমে নির্ধারিত ওয়েব এড্রেসটি (www.Payfixation.gov.bd) লিখুন। নিচের স্বাগতম স্ক্রিন পাবেন।

চিত্র-১: স্ক্রিনটি দেখে নিন।

ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করে সরকারি কর্মচারীগণ অনলাইনে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে বেতন নির্ধারণী ফরম দাখিল করতে পারবেন। হিসাবরক্ষণ কার্যালয় নতুন জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী দাখিলকৃত তথ্যাদি যাচাই/প্রতিপাদনকপূর্বক বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত করবেন।

চিত্র-২: স্ক্রিনটি দেখে নিন।

চিত্র-৩: স্ক্রিনটি দেখে নিন।

চিত্র-৪: লগইন

স্ক্রিনটি দেখে নিন।

কিভাবে লগইন করবেন ?

  • জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: এই ঘরে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বরটি লিখুন। যে সকল কর্মচারীর জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাঁদের বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়াকরণের পূর্বেই জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন করতে হবে।
  • জন্ম তারিখ : এখানে নির্ধারিত ঘরে জাতীয় পরিচয় পত্রে উল্লেখিত জন্ম তারিখ লিখুন। ১ম বক্সে জন্মের তারিখ (২ ডিজিট) ২য় বক্সে জন্মের মাস (২ ডিজিট) এবং ৩য় বক্সে জন্মের বছর (৪ ডিজিট) লিখতে হবে। উল্লেখ্য যাঁদের পরিচয়পত্রের জন্ম তারিখ চাকুরির রেকর্ডে প্রদত্ত জন্ম তারিখ হতে ভিন্ন, তাঁদের বেতন নির্ধারণের পূর্বে জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যিকভাবে সংশোধন করতে হবে। অন্যথায়, বেতন নির্ধারণী বিবরণী প্রতিপাদন সম্পন্ন হবে না ।

আরও জানুনঃ pay fixation.gov.bd 2023 । ibas++ new pay fixation। নতুন নিয়োগে অনলাইনে বেতন নির্ধারণের পদ্ধতি ২০২৪?

  • captcha : captcha বাম পাশে প্রদর্শিত বর্ণগুলো এই ঘরে লিখুন।
  • প্রবেশ করুন: ‘প্রবেশ করুন’ বাটনটিতে ক্লিক করুন। সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেইজের সাথে সংযুক্ত হয়ে পরিচয়পত্রের নম্বরটি সঠিক কিনা তা যাচাই করবে। যদি নম্বরটি ভুল হয় তবে একটি বার্তা প্রদর্শিত হবে। তখন সঠিক নম্বর এন্ট্রি দিয়ে লগইন করতে হবে। প্রদত্ত নম্বর সঠিক হলে বেতন নির্ধারণ সংক্রান্ত তথ্যাদি এন্ট্রির জন্য পরবর্তী স্ক্রিন (বেতন নির্ধারণী ফরম, চিত্র-৫) পাবেন।

গুগল নিউজ হতে আপডেট ” নিউজ হতে আইবাস++ ও সরকারি নিউজের আপডেট সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

বিঃদ্রঃ প্রথম চেষ্টায় সিস্টেমে লগইন করতে না পারলে পূনরায় চেষ্টা করুন। কারন একই সাথে অনেকে লগইন করার চেষ্টা করলে কিছু সমস্যা হতে পারে।

বেতন নির্ধারণ তথ্যাদির এন্ট্রি স্ক্রিন ?

সতর্কতা: সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে ধীরস্থিরভাবে বেতন নির্ধারণ ফরমের নির্ধারিত স্থানে সঠিক তথ্য এন্ট্রি দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, এখানে আপনি বেতন সংক্রান্ত যে তথ্যাদি এন্ট্রি দিচ্ছেন তার সঙ্গে হিসাবরক্ষণ অফিসে  সংরক্ষিত আপনার বেতনের তথ্য অথবা সার্ভিস বইয়ের সাথে যাচাই-বাচাই করে সঠিক হলে বেতন নির্ধারণ ফাইনাল করা হবে।

আরও জানুুনঃ

সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা কি ? সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার আইন ২০২৩ ?

কোন ভুল তথ্য দেয়া হলে আপনার বেতন নির্ধারণী বিবরণী প্রতিপাদন বিলম্বিত হবে। বেতন নির্ধারণী ছক পূরণ শেষ হলে তা অনলাইনে দাখিলের পূর্বে পুনরায় এন্ট্রিকৃত তথ্যাদি ভালোভাবে যাচাই করে নিতে হবে।

মনে রাখা প্রয়োজন যে, একবার বেতন নির্ধারণ বিবরণী দাখিল করা হলে দ্বিতীয়বার তা’ দাখিল করা যাবে না। দাখিলকৃত বিবরণীতে কোন ভুল থাকলে তা’ সংশোধনের জন্য আপনাকে হিসাবরক্ষণ অফিসের সহায়তা গ্রহণ করতে হবে।

চিত্র-৫:

স্ক্রিনটি দেখে নিন।

অনলাইন বেতন নির্ধারণীর ছকে মোট অংশ আছে ৬টি । এটি পূরণের নিয়ম নিম্নে উল্লেখ করা হলো :

০১. Accounting office  নির্বাচন: Automatic  স্ক্রিনে দেখা যাবে।

০২. সাধারণ তথ্য

ক) Nid number: Automatic  স্ক্রিনে দেখা যাবে।

খ) Employee name (বাংলা): Automatic  স্ক্রিনে দেখা যাবে।

গ) Employee name (ইংরেজী): Automatic  স্ক্রিনে দেখা যাবে।

ঘ) মোবাইল ফোন নম্বর: বেতন নির্ধারণী বিবরণী চূড়ান্ত/প্রতিপাদন সম্পন্ন হওয়ার পর আপনার মোবাইল ফোন নম্বরে এসএমএস (SMS) প্রেরণ করা হবে। কাজেই, সাবধানতা অবলম্বন করে সঠিকভাবে মোবাইল ফোন নম্বরটি এখানে লিখুন। ঙ) জন্ম তারিখ: স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে।

আরও জানুনঃ উচ্চতর গ্রেডে বেতন নির্ধারণ পদ্ধতি | উচ্চতর গ্রেডে বেতন নির্ধারণ ফরম

০৩. বর্তমান অফিসের তথ্য;

ক) মন্ত্রণালয়/বিভাগ: আপনি যে মন্ত্রণালয়/বিভাগের অধীনে কর্মরত আছেন তা’ স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে প্রদর্শিত না হলে ড্রপডাউন ( – ) তালিকা হতে নির্বাচন করুন।

খ) অধিদপ্তর/পরিদপ্তর: আপনি যে অধিদপ্তর/পরিদপ্তরে বা অধিদপ্তর/পরিদপ্তরের অধীনে কর্মরত আছেন ড্রপডাউন ( ~~ ) তালিকা হতে তা’ নির্বাচন করুন।

গ) অধস্তন অফিস/অপারেশনাল গ্রুপ : আপনি যে অফিস/অপারেশনাল গ্রুপের অধীনে কর্মরত আছেন ড্রপডাউন তালিকা হতে তা’ নির্বাচন করুন।

ঘ) মাঠ পর্যায়ে অফিস/অপারেশনাল ইউনিট : আপনি যে অফিসে কর্মরত আছেন ড্রপডাউন (~_~) তালিকা হতে তা’ নির্বাচন করুন। উল্লেখ্য যে, সচিবালয় হতে উপজেলা পর্যায়ের সব অফিসই স্থানীয় অফিস হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ঙ) অন্যান্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে): ড্রপডাউন ( ) তালিকাতে অন্তর্ভুক্ত নেই এমন কোন অফিসে কর্মরত থাকলে তার নাম এখানে লিখুন। যেমন, সরকারি স্কুল এবং কলেজের নাম ইত্যাদি।

চ) পদবি: ড্রপডাউন (—) তালিকা হতে আপনার বর্তমান পদবি নির্বাচন করুন। তালিকাতে আপনার জন্য প্রযোজ্য পদবি না থাকলে তা’ ড্রপডাউন (~_~) তালিকা হতে ‘অন্যান্য’ নির্বাচন করে আপনার পদবি লিখুন।

আরও জানুনঃ

ই-নামজারি কি ? ই-নামজারি আবেদন বা ই-নামজারি সিস্টেম নাগরিকের আবেদন করার উপায় ?

০৪. চাকুরিতে প্রথম যোগদানের তথ্য;

ক) যোগদানের তারিখ (dd-mm-yyyy): আপনি প্রথম যে তারিখে সরকারি চাকুরিতে যোগদান করেছেন সে তারিখ এখানে লিখুন।

খ) ক্যাডারের নাম (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে): স্ক্রিনে ‘প্রযোজ্য নয়’ লেখা থাকবে। তবে আপনি কোন ক্যাডারে যোগদান করে থাকলে তার নাম ড্রপডাউন ( – ) তালিকা হতে নির্বাচন করুন।

গ) পরিচিতি নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে): আপনার চাকুরি সংক্রান্ত পরিচিতি (আইডি) নম্বর থাকলে তা এখানে লিখুন।

ঘ) মন্ত্রণালয়/বিভাগ: আপনি প্রথম যে মন্ত্রণালয়/বিভাগের অধীনে চাকুরিতে যোগদান করেছেন তা ড্রপডাউন ( – ) তালিকা হতে নির্বাচন করুন।

আরও জানুনঃ

Ibas++ register uao4 | Ibas++ repot | ibas++ vertical summary report

ঙ) অধিদপ্তর/পরিদপ্তর: আপনি প্রথম যে অধিদপ্তর/পরিদপ্তরে বা অধিদপ্তর/পরিদপ্তরের অধীনে চাকুরিতে যোগদান করেছেন তা’ ড্রপডাউন ( – ) তালিকা হতে নির্বাচন করুন।

চ) অধস্তন অফিস/অপারেশনাল গ্রুপ: আপনি যে অফিস/অপারেশনাল গ্রুপের অধীনে কর্মরত আছেন ড্রপডাউন ( তালিকা হতে তা’ নির্বাচন করুন।

ছ) মাঠ পর্যায়ে অফিস/অপারেশনাল ইউনিট : আপনি প্রথম যে সরকারি অফিসে চাকুরিতে যোগদান করেছেন ড্রপডাউন (~~~~) তালিকা হতে তা’ নির্বাচন করুন। ড্রপডাউন তালিকায় অফিসের নাম না থাকলে ‘অন্যান্য’ নির্বাচন করে আপনার অফিসের নাম লিখুন। উল্লেখ্য যে সচিবালয় হতে উপজেলা পর্যায়ের সব অফিসই মাঠ পর্যায়ে অফিস/অপারেশনাল ইউনিট হিসেবে গণ্য হতে পারে।

জ) অন্যান্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে): ড্রপডাউন ( – ) তালিকাতে অন্তর্ভুক্ত নেই এমন কোন অফিসে প্রথম চাকুরিতে যোগদান করে থাকলে তার নাম এখানে লিখুন। যেমন, সরকারি স্কুল এবং কলেজের নাম ইত্যাদি।

ঝ) যোগদানের তারিখে পদবি: প্রথম সরকারি চাকুরিতে আপনি যে পদে যোগদান করেছেন সে পদের নাম ড্রপডাউন (~) তালিকা হতে নির্বাচন করুন। তালিকায় পদবি না থাকলে ড্রপডাউন ( ~) তালিকা হতে ‘অন্যান্য’ নির্বাচন করে সে পদবি লিখুন।

আরও জানুনঃ অনলাইনে বেতন নির্ধারণ করার নিয়ম ? অনলাইনে বেতন নির্ধারণী ২০২৩ ?

০৫. Time scale and selection grade সংক্রান্ত তথ্য;

ক) টাইম স্কেলের সংখ্যা (সমগ্র জীবনে শুরু থেকে): সমগ্র চাকুরি জীবনে যতগুলো টাইম স্কেল পেয়েছেন তার সংখ্যা পাশের ঘরে লিখুন।

খ) সিলেকশন গ্রেডের সংখ্যা (সমগ্র জীবনে শুরু থেকে): সমগ্র চাকুরি জীবনে যতগুলো সিলেকশন গ্রেড স্কেল পেয়েছেন তার সংখ্যা পাশের ঘরে লিখুন।

06. 30/06/2015 তারিখে প্রাপ্ত বেতন সংক্রান্ত তথ্য

চিত্র-৬:

স্ক্রিনটি দেখে নিন।

  • সংশোধন করুন: উপরের খসড়ায় প্রদর্শিত তথ্যাদিতে কোন ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য ‘সংশোধন করুন বাটনে ক্লিক করুন। ভুল সংশোধনের জন্য পুনরায় ‘এন্ট্রি স্ক্রিনটি’ পাবেন
  • দাখিল করুন : প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর পুনরায় “খসড়া দেখুন” বাটনে ক্লিক করে তথ্যাদি যাচাই করে দেখুন এবং তা সঠিক পাওয়া গেলে ‘দাখিল করুন’ বাটনে ক্লিক করুন। এতে আপনি নিচের বার্তাটি দেখতে পাবেন:

চিত্র-৭: বেতন নির্ধারণী বিবরণী দাখিল বার্তা

  • হ্যাঁ: এন্ট্রিকৃত তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত হলে বেতন নির্ধারণী বিবরণী দাখিল সম্পন্ন করার জন্য হ্যাঁ বাটনে ক্লিক করুন। হ্যাঁ বাটনে ক্লিক করে দাখিল সম্পন্ন করার ফলে নিচের স্ক্রিনে আপনার বেতন নির্ধারণী বিবরণী দেখতে

পাবেন।

  • সংশোধন: এন্ট্রিতে কোন সন্দেহ থাকলে ‘সংশোধন’ বাটনে ক্লিক করে পুনরায় এন্ট্রিকৃত তথ্যাদি যাচাই করুন। এন্ট্রিকৃত তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত হলে ‘দাখিল করুন’ এবং ‘দাখিল বার্তায়’ প্রদর্শিত ‘হ্যাঁ’ বাটনে ক্লিক করুন।

আরও জানুনঃ চলতি দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব কি ? আইবাস++ এ দায়িত্ব ভাতা যোগ করার উপায় ? অতিরিক্ত দায়িত্ব অফিস আদেশ ?

অনলাইন বেতন নির্ধারণ করার পর এক নজরে হিসাবরক্ষণ অফিসের করণীয়বেতন নির্ধারণ প্রতিপাদন ?

অনলাইন বেতন নির্ধারণীর পর হিসাবরক্ষণ অফিসের যাচাই করার প্রয়োজন আছে কি ?

·

বেতন নির্ধারণ বিবরণীর প্রিন্টেড কপিগুলো স্ব স্ব অডিট রেজিস্টার/সার্ভিস বই এ স্থাপন করবেন এবং প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করে বেতন নির্ধারণ বিবরণীতে প্রদর্শিত মূল বেতনের সাথে অডিট রেজিস্টার/সার্ভিস বই এ প্রদর্শিত মূল বেতনের মিল পাওয়া গেলে অডিট রেজিস্টার/সার্ভিস বই এ তা’ লিপিবদ্ধ করতঃ স্বাক্ষর করবেন। একই সাথে বেতন নির্ধারণ বিবরণীর প্রিন্টেড কপির নির্ধারিত স্থানে অডিটর, সুপার এবং সহঃ হিসাব মহানিয়ন্ত্রক/নিরীক্ষা ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা স্বাক্ষর করবেন।

অনলাইন বেতন নির্ধারণীর পর হিসাবরক্ষণ অফিসের যাচাই করার ২য় ধাপ ?

বেতন নির্ধারণ বিবরণী যাচাইকালে বেতনের স্কেল এবং মূল বেতনে কোন গরমিল পাওয়া গেলে এতদসংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা’ সংশোধন করবেন অথবা সংশোধনের জন্য সিস্টেমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিকট ফেরত দিতে হবে।

আরও জানুনঃ বেতন স্কেল কি ? বেতন গ্রেড কী ? বেতন নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

বেতন নির্ধারণ বিবরণীর প্রিন্টেড কপিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত গ্রেড ও মূল বেতন সঠিক আছে কি না তা’ প্রচলিত বিধি-বিধান মোতাবেক যাচাই করে নিশ্চিত হতে হবে।

অনলাইন বেতন নির্ধারণীর পর হিসাবরক্ষণ অফিসের যাচাই করার ৩য় ধাপ ?

অনলাইনে বেতন নির্ধারণে ভুল হলে করণীয় ?

যাচাইকৃত বেতন নির্ধারণ বিবরণীগুলি অডিট রেজিস্টার/সার্ভিস বই হতে পৃথক করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে বেতন নির্ধারণ বিবরণী প্রতিপাদন করবেন। সিস্টেম জেনারেটেড ভেরিফিকেশন নম্বরটি প্রিন্টেড কপির নির্ধারিত স্থানে লিখতে দিতে হবে।

পদোন্নতিপ্রাপ্তদের বেতন পরিশোধের সময় নতুন বেতনস্কেলের গেজেটে উল্লিখিত ‘পদের পূর্ণ বেতন প্রাপ্তির শর্তাবলি আবিশ্যিকভাবে অনুসরণ করতে হবে।

অনলাইনে বেতন নির্ধারণে ভুল হলে করণীয় ?

ফেরত/বাতিল: ব্যাক্তি বিশেষ কর্তৃক ভুল তথ্য বা ভুল অপসন সিলেক্ট করে কোন বেতন নির্ধারণ বিবরণী দাখিল করা হলে হিসাবরক্ষণ অফিস হতে উক্ত বিবরণী ফেরত প্রদান বা বাতিল করতে হবে। ফেরত বা বাতিল সম্পন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট কর্মচারি পুনরায় বেতন নির্ধারণ বিবরণী দাখিল করতে পারবেন। ফেরত ও বাতিলের মেনুগুলো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁর এডমিন আইডি দিয়ে লগইন করলে পাবেন।

আরও জানুনঃ টাইম স্কেল কি ? টাইম স্কেল পাওয়ার নিয়ম ? ২০১৫ পে স্কেল এর পরও কি বহাল রয়েছে ? টাইম স্কেলে বেতন নির্ধারণ পদ্ধতি ?

কখন অনলাইনে বেতন নির্ধারণ বাতিল করার দরকার পড়ে ?

চলমান বাতিল: ভুলক্রমে ‘চলমান’ অপসন নির্বাচন করে হিসাবরক্ষণ অফিসে বেতন নির্ধারণ বিবরণী দাখিল করা হলে ‘চলমান বাতিল’ মেনুর মাধ্যমে উক্ত বেতন নির্ধারণ বিবরণীটি বাতিল করতে হবে।

অনলাইন বেতন নির্ধারণ সহায়িকার অন্যান্য নিয়ম ?

অন্যান্য বিবরণী বাতিল: ‘চলমান’ অপসন ব্যতীত ভুলক্রমে এক অপসনের পরিবর্তে অন্য অপসন যথা টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড, পদোন্নতি, নতুন নিয়োগ ইত্যাদি নির্বাচন করে হিসাবরক্ষণ অফিসে বেতন নির্ধারণ বিবরণী দাখিল করা হলে অথবা দাখিলকৃত বিবরণীতে কোন ভুল তথ্য থাকলে উক্ত বিবরণীটি এই মেনুর মাধ্যমে বাতিল করতে হবে। স্ক্রিনপ্রিন্টসহ ‘অন্যান্য বিবরণী বাতিল’ করার বিস্তারিত পদ্ধতি যথাস্থানে বর্ণনা করা হয়েছে।

বিভিন্ন ব্যক্তি/কর্মচারী কর্তৃক কৌতুহল বশতঃ বেতন নির্ধারণী ওয়েব সাইটে ঢুকে অহেতুকভাবে বিপুল সংখ্যক বেতন নির্ধারণ বিবরণী বিভিন্ন হিসাবরক্ষণ অফিসে দাখিল করা হয়েছে। চলমান বাতিল এবং অন্যান্য বিবরণী বাতিল অপশন হতে এসকল বেতন নির্ধারণ বিবরণী জরুরীভিত্তিতে বাতিল করতে হবে। কারন এ সকল বিবরণী আপনার অফিসের বিপরীতে ‘পেনশন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষমান’ তালিকায় প্রদর্শিত হচ্ছে।

আরও জানুনঃ মেয়েদের ডিম্বাণু কি ? আপনার মাসিকের কত দিন পরে আপনি গর্ভবতী থেকে পারেন ? ৫০ বছর বয়সে কি গর্ভবতী হওয়া যায় ?

গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশ সরকার অর্থ মন্ত্রণালয়,

অর্থ বিভাগ, অধিশাখা-৩

www.mof.gov.bd

নং-০৭.০০.০০০০.১৭৩.০২২.৭০.১৮-১৭  তারিখঃ ২৭/০২/২০১৮ খ্রিঃ

বিষয়ঃ সরকারি কর্মচারীদের অতিরিক্ত দায়িত্ব/চলতি দায়িত্ব পালনের জন্য কার্যভারভাতা প্রদান। 

মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তর/অধীনস্থ অফিসসমূহে প্রায়শ কিছু পদ শূন্য থাকতে দেখা যায়। শূন্য পদসমূহ নতুন নিয়ােগ পর্যন্ত শূন্য রাখা জনস্বার্থে সমীচীন নয় বিধায় একজন সরকারি কর্মচারীকে নিজস্ব পদের পাশাপাশি অন্য পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব/চলতি দায়িত্ব প্রদানের বিধান রয়েছে। এরূপ অতিরিক্ত/ চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সময়ে সময়ে অর্থ বিভাগ হতে জারীকৃত কার্যভারভাতা প্রদান সংক্রান্ত অফিস রক/পরিপত্র/প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে কার্যভারভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে। এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের প্রবিধি-২ শাখা হতে সর্বশেষ জারীকৃত স্মারক নং-MF/R-11/AP-5/82-175, dated 7-6-82 বাতিলক্রমে কার্যভারভাতা প্রদান সংক্রান্ত শর্তাবলি নিম্নরূপভাবে নির্ধারণ করা হলোঃ 

চলতি দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান নীতিমালা :

(ক) কার্যভার ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়িত্ব/চলতি দায়িত্ব প্রদানের তারিখ উল্লেখসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অফিস আদেশ জারি করতে হবে; 

(খ) সংশ্লিষ্ট পদের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতার চেয়ে কম যোগ্যতা সম্পন্ন কোন কর্মচারীকে অতিরিক্ত দায়িত্ব/চলতি দায়িত্ব প্রদান করা যাবে না; 

(গ) একজন কর্মচারী যে পদে কর্মরত তার সমপদে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা যাবে। তবে, নিজ পদের চেয়ে নিম্ন পদে অথবা ৩য় কোন পদের দায়িত্ব প্রদান করা হলে তিনি কোন কার্যভারভাতা প্রাপ্য হবেন না; 

(গ) একজন কর্মচারীকে নিজ পদের চেয়ে উচ্চতর পদে চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হলে তিনি কার্যভারভাতা প্রাপ্য হবেন; 

আরও জানুনঃ টাইম স্কেল কি ? টাইম স্কেল পাওয়ার নিয়ম ? ২০১৫ পে স্কেল এর পরও কি বহাল রয়েছে ? টাইম স্কেলে বেতন নির্ধারণ পদ্ধতি ?

(ঘ) কোন কর্মচারীকে নিজ পদের চেয়ে নিম্নপদে অথবা একই সাথে একাধিক পদে চলতি দায়িত্ব প্রদান করা যাবে না; 

(ঙ) নতুন সৃষ্ট পদে কোন কর্মচারীকে পদায়ন না করে উক্ত পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব/চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হলে তিনি কার্যভারভাতা প্রাপ্য হবেন না ; 

(চ)অতিরিক্ত/চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত পদে ৩(তিন)সপ্তাহের কম সময়ের জন্য দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কোন কার্যভারভাতা প্রাপ্য হবেন না; 

(জ) অতিরিক্ত দায়িত্বের স্থায়ীত্ব ৬(ছয়) মাসের অধিক হলে ছয় মাস অতিক্রমের পূর্বে অর্থ বিভাগে সম্মতির জন্য প্রেরণ করতে হবে; 

(ঝ) চলতি দায়িত্ব পালনকালীন পুরাে সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কার্যভারভাতা প্রাপ্য হবেন; 

(ঞ) অতিরিক্ত দায়িত্ব/চলতি দায়িত্ব পালনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ,২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ২২ অনুযায়ী কার্যভারভাতা প্রাপ্য হবেন।

আরও জানুনঃ

আরও জানুনঃ আরও জানুনঃ অনলাইনে জিপিএফ ব্যালেন্স চেক করার উপায় ২০২৪ এবং জিপিএফ হিসাবের স্লিপ বের করার উপায় ?

দায়িত্ব ভাতা এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতার পরিমাণ ও অর্থনৈতিক কোড ( charge allowance code)?

চলতি দায়িত্ব ভাতা এবং  অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতার কোড কত ?

দায়িত্ব ভাতা কোড এবং  অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতা কত ( charge allowance code): দায়িত্ব ভাতা কোড এবং  অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতার ( charge allowance code) অর্থনৈতিক কোড একই।

দায়িত্ব ভাতার পুরাতন অর্থনৈতিক কোড :৪৭৩৭

দায়িত্ব ভাতার নতুন অর্থনৈতিক কোড : ৩১১১৩০১

চলতি দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতা কত ?

অতিরিক্ত দায়িত্ব/চলতি দায়িত্ব পালনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ,২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ২২ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মচারীর মুলবেতনের ১০% হারে কার্যভারভাতা প্রাপ্য হবেন এবং সর্বোচ্চ সীমা ১৫০০/- টাকা।

আরও জানুনঃ পারিবারিক পেনশন ফরম ২.২ পূরণের নিয়ম?

চলতি দায়িত্ব/অতিরিক্ত প্রদানের নীতিমালা ?

সংস্থাপন মন্ত্রণালয়েরে স্মারক নং-সম (বিধি-১/এস-১১/৯২-৩০(১৫০)

তারিখ : ৫-২-৯২ ইং ২২-১০-৯৮ বাং অনুযায়ী চলতি দায়িত্ব/অতিরিক্ত প্রদানের নীতিমালা

বিষয়ঃ চলতি দায়িত্ব/অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান প্রসঙ্গে ।

উপরোক্ত বিষয়ে অত্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত সম/আর-১/এস-৩/৯০-৪৩ (২০০), তারিখ ১/২/৯০ ইং/১৯/১০/১৩৯৬ বাং স্মারকের অনুচ্ছেদেগুলি নিম্নরূপে প্রতিস্থাপিত হইবেঃ

১। এফ, আর ৪৯ এ একজন সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীকে অস্থায়ী হিসাবে একই সংগে দুই বা ততোধিক পদের দায়িত্ব প্রদানের ব্যবস্থা আছে, তবে একজন সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী একই সংগে দুই বা ততোধিক স্থায়ী পদে স্থায়ীভাবে (Substantivety) নিযুক্ত হইতে পারেন না ।

আরও জানুনঃ আরও জানুনঃ অনলাইনে জিপিএফ ব্যালেন্স চেক করার উপায় ২০২৪ এবং জিপিএফ হিসাবের স্লিপ বের করার উপায় ?

২। উক্ত বিধি মোতাবেক বিভিন মন্ত্রণালয়/বিভাগ সাধারণতঃ শূন্য পদে যথাক্রমে সমপদধারীকে অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং নিম্নপদধারীকে চলতি দায়িত্ব প্রদান করিয়া থাকেন। ইতিপূর্বে রাষ্ট্রপতি নির্দেশ প্রদান করিয়াছিলেন যে, চলতি দায়িত্ব অর্পণের পরিবর্তে পদোন্নতির মাধ্যমে শূন্য পদসমূহ পূরণ করিতে হইবে। উক্ত নির্দেশ অনুযায়ী চলতি/অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান নিরুৎসাহিত করা হইতেছে। তবে বিভিন্ন কারণে ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণ বিলোপ করা সম্ভব হয় নাই। ভবিষ্যতে চলতি/অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানের প্রবণতা রোধ এবং বিশেষ প্রয়োজনে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করিয়া ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র হিসাবে এরূপ দায়িত্ব প্রদানের ব্যবস্থা চালুকরণের জন্য ২৭-৫-৮৯ ইং তারিখের এস,এস, বির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবং মন্ত্রণালয়ের সম্মতিক্রমে নিম্নোক্ত নির্দেশসমূহ জারী করা হইলঃ-

(ক) সকল স্থায়ী শূন্যপদ নিয়োগবিধি অনুযায়ী পদোন্নতি/নব নিয়োগের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে পূরণ করার ত্বরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে ।

(খ) নূতন সৃষ্ট পদে চলতি/অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা যাইবে না ।

(গ) পদের দায়িত্ব যদি এইরূপ হয় যে, পদপূরণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদন পর্যন্ত পদটি শূন্য রাখা জনস্বার্থে সমীচীন নহে, তাহা হইলেই কেবলমাত্র নিম্নোক্ত ব্যতিক্রমধর্মী ক্ষেত্রে চলতি দায়িত্ব প্রদান বিবেচনা করা যাইতে পারেঃ-

(১) জৈষ্ঠ্যতা নির্ণয়ে জটিলতা :

(২) নিয়োগবিধি প্রণয়নে বিলম্ব ;

(৩) পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তা কর্মচারীর অভাব ;

আরও জানুনঃ ibas++budget preparation user registration entry 2024 and Approval করার উপায় ?

(৪) নিয়োগবিধি অনুযায়ী নিয়োগ বিলম্ব :

(৫) পদধারীর ছুটি বা প্রশিক্ষণের জন্য দায়িত্ব ত্যাগ। তবে ছুটি, প্রেরণ ও প্রশিক্ষণের জন্য সংরক্ষিত পদ থাকিলে ইহা প্রযোজ্য হইবে না।

(ঘ) অনতিবিলম্বে চলতি দায়িত্ব/অতিরিক্ত দায়িত্বের স্থায়ীত্ব দুইমাসের অধিক হইলে বিষয়টি দুই মাস অতিক্রমের পূর্বে সংশ্লিষ্ট পদোন্নতি কমিটি/বোর্ডের অনুমোদনের জন্য পেশ করিতে হইবে।

(ঙ) শূন্যপদে সমপদধারী কর্মকর্তা/কর্মচারীদের মধ্য হইতে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানকে অগ্রগণ্যতা দেওয়া হইবে।

আল্লাহ ক্ষমাপ্রার্থীদেরকে প্রেম করেন এবং শ্রদ্ধাকারীদেরকে ভালবাসেন – আল কোরআন

(চ) সমপদধারীদের মধ্য হইতে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান সম্ভব না হইলে অব্যবহিত নিম্নপদধারীদের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে পদোন্নতির যোগ্যতা বিবেচনা করিয়া চলতি দায়িত্ব প্রদান করা যাইতে পারে।

(ছ) অব্যবহিত নিম্নপদধারীদের মধ্য হইতে কাহাকেও চলতি দায়িত্ব দেওয়া সম্ভব না হইলে নিম্নবর্ণিত শর্তসাপেক্ষে একধাপ নীচের পদধারীকে চলতি দায়িত্ব দেওয়া যাইতে পারেঃ-

আরও জানুনঃ gpf information system কি ? GPF Fund Statement কি ? gpf nominee

 (১) সংশ্লিষ্ট পদোন্নতি কমিটির অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।

(২) মধ্যবর্তী পদটি শূন্য আছে অথবা অব্যবহিত নিম্নপদধারীদের মধ্যে দায়িত্ব প্রদানের জন্য উপযুক্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী নাই এই মর্মে প্রত্যয়ন প্রদান করিতে হইবে।

(৩) যাহাকে দায়িত্ব দেওয়া হইবে তাহার উপরের পদধারী কাহাকেও চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারীর অধীনস্থ করা যাইবে না ।

(জ) যাহাকে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হইবে তিনি নিজস্ব পূর্বপদের দায়িত্ব হস্তান্তর করিয়া তাহার চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত পদে যোগদান করিবেন। তাহার পূর্বপদটি সমপদধারীদের মধ্য হইতে কাহাকেও অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে পূরণ করা হইবে অথবা সাময়িকভাবে পদোন্নতি দ্বারা পূরণ করা যাইবে, তবে শর্ত থাকে যে, চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী তাঁহার পূর্বপদে ফেরত আসিলে সাময়িকভাবে পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারীকে তাহার পূর্বপদে পদাবনতি করিতে হইবে। তবে যে স্থানে পদ খালি হইবে সাধারণভাবে সেই স্থানে/কর্মস্থলের উপযুক্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারীকে চলতি দায়িত্ব/ অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানের বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে। কোন উপযুক্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারী পাওয়া না গেলে কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রেই উপরোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

 (ঝ) চলতি দায়িত্ব প্রদান, বদলী বা পদোন্নতি বা নবনিয়োগ নহে, এবং দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী চলতি দায়িত্বের কারণে এরূপ কোন সুবিধা দাবি করিতে পারিবেন না। নিয়োগবিধি অনুসারে শূন্যপদ পূরণ করা হইবে এবং সে ক্ষেত্রে তিনি কোনও অগ্রগণ্যতা বা অধিকার অর্জন করিবেন না।

আরও জানুনঃ

(ঞ) অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী তাহার নিজস্ব পদের দায়িত্ব হস্তান্তর করিবেন না। চলতি/অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী উক্ত দাযিত্ব প্রাপ্ত পদে স্থায়ী পদধারীর মর্যাদা দাবী করিতে পারিবেন না। চলতি/অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকালে কিভাবে পদবী লিখিত হইবে সেই সম্পর্কে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের ২১-১-৮০ইং তারিখের ইডি/এসএ- ১/২৭৫/৭৯-৪৮- (৫০) নং স্মারক অনুসরণ করিতে হইবে।

(ট) চলতি/অতিরিক্ত দায়িত্বের ক্ষেত্রে সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীর বেতন ভাতাদি অর্থ মন্ত্রণালয় হইতে জারীকৃত ৭-৬-৮২ইং তারিখের স্মারক নং-এমএফ/আর-২/এপি-৫/৮২-১৭৫ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে এবং ভবিষ্যতে জারীকৃত অন্যান্য নির্দেশ পালন করিতে হইবে।

(ঠ) উপরোক্ত নির্দেশসমূহ রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটে অন্তর্ভুক্ত পদসমূহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য

হইবে।

ইহাতে অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্মতি রহিয়াছে।

মোঃ হাসিনুর রহমান সচিব

চলতি দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করার স্পষ্টকরণ পরিপত্র  ?

মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের  স্বারক নং সিএজি/প্রোঃ-১/১৯৩/৪৭  ও                                              তারিখ-৩০-০৭-৮২ খ্রিঃ অনুযায়ী চলতি দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করার স্পষ্টকরণ করা হয়।

উপরোক্ত বিষয়ে আপনার অফিসের ৮-৭-৮২ তারিখের স্বারক নং- জিএডি কোঃ অরড/ ৭৭/৯-এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাইতেছে।

আরও জানুনঃ বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক কে ? বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত কতবার

২। আপনার উপরোক্ত পত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলি সম্পর্কে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মহোদয় অনুগ্রহ পূর্বক যে সিদ্ধান্ত প্রদান করিয়াছেন, তাহা ধারাবাহিক ভাবে নিম্নে প্রদান করা হইল:-

১) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মহোদয়ের নির্দেশ ক্রমে যে সব অফিসার/ কর্মচারীগণকে ১-৭-৭৭ তারিখ অথবা তৎপরবর্তী তারিখ হইতে উচ্চতর পদের দায়িত্ব পালনের জন্য পূর্ব প্রচলিত হারে বিশেষ বেতন/বিশেষ ভাতা প্রদান করা হইয়াছিল তাহাদিগকে ১-৭-৭৭ তারিখ বা তৎপরবর্তী প্রকৃত দায়িত্ব পালনের তারিখ হইতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৭-৬-৭-৮২ তারিখের স্মারক নম্বর এম/আর-২/এপি ৫/৮২/১৭৫ এর নির্দেশ মোতাবেক নির্ধারিত হারে দায়িত্ব ভাতা প্রদান করা যাইতে পারে ।

২) অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপরোক্ত ৭-৬-৮২ তারিখের স্মারকে ঘোষিত বা অঘোষিত পদের উল্লেখ নাই বিধায় উহা উভয় প্রকার পদের জন্য প্রযোজ্য হইবে।

৩) এই দায়িত্ব ভাতা প্রদানের জন্য আলাদা কোন প্রশাসনিক মঞ্জুরীর প্রয়োজনীয়তা নাই।

৪) এই দায়িত্ব ভাতা নৈমিত্তিক ছুটি ব্যতীত অন্য কোন প্রকার ছুটি বা ট্রেনিং-এর সময় দেওয়া যাইবে না। তবে ট্রেনিং-এর ক্ষেত্রে উচ্চতর পদের দায়িত্বভার হস্তান্তর না করিলে দায়িত্ব ভাতা প্রদান করা যাইতে পারে।

৫) এই প্রসঙ্গে অত্র কাৰ্যালয় হইতে জারীকৃত পত্র নং-সিএজি/প্রো-১/১০৩/৪৩৯ তারিখ ২০- ৫-৮২ বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং ছুটিকালীন সময় কাহাকেও ১-৭-৭৭ বা এই তারিখের পরে দায়িত্ব ভাতা প্রদান করিয়া থাকিলে উহা আদায় করিতে হইবে। অতএব, উপরোক্ত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রয়োজনীয় কাৰ্য্যক্রম গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা যাইতেছে।

                                                                            স্বাক্ষর-

                                                              উপ-মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (প্রোঃ)

চলতি দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতার আদেশ ডাউনলোড করার উপায় ?

চলতি দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতার আদেশ ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

 

  আরও জানুনঃ আইবাস++ এ দায়িত্বভাতা যোগ করার উপায়?

রিলেটেড ট্যাগঃ অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতা, দায়িত্ব ভাতা সংক্রান্ত পরিপত্র,দায়িত্ব ভাতা কি,দায়িত্ব ভাতা,অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতা কত,দায়িত্ব ভাতা কোড,চলতি দায়িত্ব ভাতা,চলতি দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব কিচলতি দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব কি ?

https://youtu.be/bSDOMUz_Th0

• বদলি: এক হিসাবরক্ষণ অফিসে বেতন নির্ধারণ বিবরণ প্রতিপাদন সম্পন্ন হওয়ার পর, কোন কর্মচারী অন্য হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতায় বদলি হলে তাঁর বেতন নির্ধারণ সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনের মাধ্যমে বদলি পরবর্তী হিসাবরক্ষণ অফিসে প্রেরণ করতে হবে। একইভাবে বদলি পরবর্তী হিসাবরক্ষণ অফিস কর্তৃক বদলিকৃত উক্ত তথ্য অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ

রিলেটেড ট্যাগ: অনলাইন বেতন নির্ধারণী, বেতন নির্ধারণ ফরম ২০১৫, অনলাইনে বেতন নির্ধারণ ২০১৯, অনলাইন বেতন নির্ধারণ সহায়িকা, টাইম স্কেলে বেতন নির্ধারণী ফরম, online বেতন নির্ধারণ, বেতন নির্ধারণী ফরম pdf,অনলাইন বেতন নির্ধারণ

admin

Recent Posts

এমপিওভুক্ত স্কুল শিক্ষকদের বেতন ও ভাতাদি কত ২০২৪ ?

সারা দেশে অসংখ্য বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে। এসব বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক,…

2 days ago

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকদের বেতন গ্রেড এবং বেতন কত ২০২৪ ?

বাংলাদেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা কত ? বাংলাদেশে শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী…

2 weeks ago

ঈদুল ফিতর এর কতদিন থাকছে ২০২৪ সালে সরকারি ছুটি ?

পোস্ট সামারীঃ কতদিন থাকছে  ঈদুল ফিতর ২০২৪ সালে সরকারি ছুটি ? ঈদুল ফিতর ২০২৪ সরকারি…

3 weeks ago

ছুটি নগদায়ন নীতিমালা ২০২৪ ?

ছুটি নগদায়নের ইংরেজি কি ? ছুটি নগদায়নের ইংরেজি কি হলো লাম্পগ্রান্ড (lump grant) . ছুটি…

1 month ago

অর্জিত ছুটি কাকে বলে ? অর্জিত ছুটি কত প্রকার ও কি কি ? গড় বেতনে অর্জিত ছুটির হিসাব ২০২৪ ?

অর্জিত ছুটি কাকে বলে ? অর্জিত ছুটি কত প্রকার ও কি কি ? অর্জিত ছুটি…

2 months ago