nocomments

৯ম পে কমিশন গঠন, দশম গ্রেডে বেতন নির্ধারণসহ বেতন বৃদ্ধির দাবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের।

৯ম পে কমিশন গঠন, দশম গ্রেডে বেতন নির্ধারণসহ বেতন বৃদ্ধির দাবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের।

দশম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, ৯ম পে কমিশন গঠন, অন্তর্বর্তীকালীন ৩০ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট প্রদানসহ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক টিচার সমিতি।

বাংলাদেশ প্রাথমিক টিচার সমিতির শুক্রবারে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উক্ত দাবি সমূহ তুলে ধরে।

আরও জানুনঃ হচ্ছে না পে স্কেল তবে সরকারি চাকরিজীবীদের মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন বৃদ্ধির খবর ২০২৩ ?


তাদের দাবির মধ্যে আরও রয়েছে:

  • কয়েকটি ধারা সংস্কার করে ২০২২-এর নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন;
  • হেড মাস্টার ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন আপগ্রেড করা;
  •  পদোন্নতি দেওয়া,
  • টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল করা।

গুগল নিউজ হতে আপডেট ” নিউজ হতে আইবাস++ ও সরকারি নিউজের আপডেট সংগ্রহ করে নিতে পারেন।


দাবিগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শনিবার সংসদ সদস্যদের কাছে লিখিত আবেদন ও  তার সাথে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে উন্নতি না হলে জটিল কর্মসূচি গ্রহণের ঘোষণা করেন  বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা।
সংগঠনের সভাপতি মো. আবুল কাসেম বলেন, এই সংগঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৭ হাজার ৬৭২টি প্রাইমারি বিদ্যালয় সরকারি করেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাইমারি বিদ্যালয় সরকারি করেন।

আরও জানুনঃ ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারিদের জন্য মহার্ঘ ভাতা থাকছে না বিশেষ ইনক্রিমেন্ট ২০২৩ ?

 ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হেড টিচাদের দ্বিতীয় শ্রেণির ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল এক ধাপ উন্নীত করেন। তা সত্ত্বেও বর্তমান পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা ও ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

২০২০ সালে ০৯ ফ্রেব্রুয়ারি মাসে সহকারি শিক্ষদের বেতন গ্রেড ১৪তম গ্রেড থেকে  ১৩তম গ্রেডে উন্নিত করে সরকার ।

আরও জানুনঃ ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে ৯ম পে স্কেল এবং মহার্ঘ ভাতা সহ ১১ দফা দাবি সরকারি কর্মচারীদের ?


সভায় হেতু বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক টিচার সমিতির সাধারণ এডিটর মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন। তিনি বলেন, ১৯৯৪ সাল হতে উৎকৃষ্ট শিক্ষকদের ও ২০০৯ সাল থেকে অ্যাসিসটেন্ট শিক্ষকদের প্রোমোশন বন্ধ আছে। এইজন্য ২০১৯ বর্ষের নিয়োগবিধি বাতিল করে নতুন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে সেরা শিক্ষকসহ সব শিক্ষকের পদোন্নতির আয়োজন করার জন্য হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আদার্স নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Reply

error: Content is protected !!