বেতন স্কেল কি ? বেতন গ্রেড কী ? বেতন নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

এই পোস্ট থেকে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ জানা যাবেঃ

  • বেতন কী ?
  • বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন করার দরকার হয় কি ?
  • বেতন নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা কি ?
  • বেতন নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ কেন ?
  • স্থায়ী পদ কি ?
  • অস্থায়ী পদ কি ?
  • ধারণাকাল পদ কি ?
  • শিক্ষানবীশ কি ?
  • আবেক্ষাধীন কি?
  • বেতন গ্রেড কি ?
  • বেতন স্কেল কি ?

বেতন কী ?

বেতন কী : প্রত্যেক কর্মচারী মাস শেষে যে টাকা পান তাকেই আমরা বেতন বলি। আসলে উহা বেতন এবং ভাতার সমষ্টি। বিভিন্ন প্রকার কর্তনের পর (যথাঃ ভবিষ্য তহবিল, কল্যাণ তহবিল, গ্রুপ ইনস্যুরেন্স ইত্যাদি) যে টাকা হাতে পাওয়া যায় তাহাই নিট বেতন ও ভাতা। এসব কর্তনের পূর্বে সর্বমেন্ট বেতন ও ভাতার অংকটিকে বলা হয় সাকুল্য বেতন ও ভাতা। প্রকৃতপক্ষে বিএসআর ভল্যুউম-১ এর ৫(৬)/৫(৪০)/৪০(৬১)এবং এসআর ভলিউম-১ এর নং-(২১)/৯(২৮) অনুচ্ছেদে যে সব সংস্থ আছে সেগুলোর মূল কথা হলো একজন স্থায়ী অথবা অস্থায়ী কর্মচারী কোন মঞ্জুরীকৃত পদে কর্মরত হওয়ায় তার প্রাপ্যের নাম বেতন (বা মূল বেতন)

আরও জানুনঃ

Payfixation বা পে ফিক্সেশন কি ? অনলাইন পে ফিক্সেশন বা পে ফিক্সেশনের নিয়ম ?

বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন করার দরকার হয় কি ?

  • বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন : বেতন বৃদ্ধির প্রতি বছর ১ম জুলাই তারিখে হয়ে থাকে। বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন করার প্রয়োজন হয়। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী প্রাপ্য মূল বেতন  বিবরণী প্রতি বছর ১ম জুলাই মাসে হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দিতে হয়।

বেতন নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা কি ?

বেতন নির্ধারণ: বাংলাদেশের ট্রেজারী রুলসের ১ম খন্ডের ১৫৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে পঞ্জিকা মাস পূর্ণ হওয়ার ০১ দিনের মধ্যেই সরকারি কর্মচারীদের বেতন প্রদান করতে হয় একই রুলসের ১৬০ অনুচ্ছেদ মোতাবেক মাসের প্রথম ৬ দিনই যদি, সরকারি ছুটি থাকে তবেই মাস শেষ হওয়ার দিনে প্রদেয়। ইদানিংকালে পঞ্জিমাসের শেষ সপ্তাহে কোন উৎসবাদির কারণে ছুটি থাকলে প্রশাসনিক আদেশে ছুটি আরম্ভের পূর্বেই বেতন প্রদান করা হয়। কিন্তু বেতনাদি প্রদানের পূর্বেই উহা নির্ধারণ করা আবশ্যক। বেতন সঠিক নির্ধারণের ওপর প্রশাসনিক শৃংখলা অনেকাংশে নির্ভরশীল। তদুপরি বেতন সঠিক নির্ধারিত হলেও বাড়িভাড়া ভাতা, বাড়ি ভাড়া কর্তন, ইনস্যুরেন্স, কল্যাণ তহবিল ইত্যাদির কর্তণের হিসাবও সঠিক হয়।

বেতন নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

চাকরি দেওয়া এবং চাকরি নেওয়া কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীর মধ্যে একটি চুক্তি বিশেষ। এই চুক্তির শর্তাবলী বিধৃত হয় নিয়োগপত্রে। নিয়োগপত্রে কর্তৃপক্ষ বিধানানুসারে শর্ত প্রদান করে এবং কর্মচারী শর্তাদি মেনে নিয়েই চাকরিতে যোগদান করেন। নিয়োগপত্রের অন্যতম প্রধান শর্তই হচ্ছে বেতন। চাকরিকালের বিভিন্ন সয়ে পদোন্নতি, বদলী, ছুটি, বেতন স্কেল পরিবর্তন ইত্যাদি কারণে বেতনেরও পরিবর্তন হয় এবং বেতন নির্ধারণ প্রয়োজন হয়। কোন কর্মচারীর বেতন কম নির্ধারিত হলে তিনি সঠিক বেতন না পাওয়ার জন্য তাঁর পক্ষে স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু দায়িত্ব পালনের বিঘ্ন ঘটতে পারে। অপরদিকে কর্মচারীর বেতন বেশি প্রদান করা হলে বছরের শেষে বেতন খাতে বাজেট ঘাটতির সম্মুখীন হওয়া ছাড়াও অতিরিক্ত প্রদেয় অর্থ আদায়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়। তাই কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীর মধ্যে সর্বোপরি রাষ্ট্রীয় কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের স্বার্থে সঠিক বেতন নির্ধারণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আরও জানুনঃ

পে ফিক্সেশন বাতিলের নিয়ম ২০২৩ ও পে ফিক্সেশন বাতিলের পদ্ধতি ২০২৩ ?

বিভিন্ন প্রকারের পদ:

পদ ছাড়া কোন কর্মচারী নিয়োগ করা যায় না। কোন পদে কর্মপদ না হলে কাউকে বেতন প্রদান করা যায় না। বেতন প্রদানের জন্য পদ একটি আবশ্যিক শর্ত। পদ বলতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একটি মঞ্জুরীকৃত পদ বুঝায়। মঞ্জুরীকৃত পদ দুই প্রকারঃ-

(ক) স্থায়ী পদ কি ?

(ক) স্থায়ী পদ: নির্ধারিত বেতন স্কেলসহ নির্দিষ্ট কালের জন্য মঞ্জুরীকৃত পদকে স্থায়ী পদ বলা হয়(বিএসআর ৫/(৪২)/এফআর ৯(৩০)।

(খ) অস্থায়ী পদ কি ?

(খ) অস্থায়ী পদ: নির্ধারিত বেতন স্কেলসহ অনির্দিষ্টকাজের জন্য মঞ্জুরীকৃত পদকে অস্থায়ী পদ বলা হয় (বিএসআর ৫(৫২)/ এফআর (৯২২)। এছাড়া যে স্থায়ী পদে কোন কর্মচারী নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিয়োজিত হন, সে পদকে টেনিউর পদ বলা হয় (বিএসআর ৫(৫৪)/এফআর ৯(৩০)/এ।

(গ) ধারণাকাল পদ কি ?

(গ) ধারণাকাল পদ: যে স্থায়ী পদে একজন সরকারি কর্মচারী নির্ধারিত সময়ে অধিককাল নিয়োজিত থাকতে পারে না তাকে ধারণাকাল পদ বা মেয়াদী পদ (Tenure Post) বলা হয়। ধারা ৫(৫৪) বি।

(ঘ) শিক্ষানবীশ কি ?

(ঘ) শিক্ষানবীশ : সরকারি চাকরিতে নিয়োগের উদ্দেশ্যে পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের জন্য) নিয়োজিত। তবে কোন বিভাগের বাস্তব খালি পদে নিযুক্ত নহেন। (বিএসআর পার্ট-১ এর ৫(৩)।

(ঙ) আবেক্ষাধীন কি?

(ঙ) আবেক্ষাধীন : কোন বিভাগের বাস্তব খালি পদের বিপরীতে আবেক্ষাধীনভাবে নিয়োজিত কর্মচারী। যার উক্ত সময়ের চাকরি পেনশনযোগ্য চাকুরি হিসেবে গণ্য করা যায়। (বিএসআর পার্ট-১-৫(৪৬)

বেতন স্কেল কী ?

বিভিন্ন প্রকার বেতন স্কেল :

নির্দিষ্ট বেতন স্কেল ছাড়া কোন পদ হয় না। যে পদে বেতন স্কেলের স্থলে গ্রেড পে উল্লেখ থাকে উহা অবশ্যই বদলীর মাধ্যমে পূরণ করতে হয় এবং বদলীকৃত কর্মচারীর পূর্বপদের স্কেলেই নেন পান বলে এরূপ পদে বেতন স্কেল দেখানোর পরিবর্তে গ্রেড পে উল্লেখ থাকে। পদের স্কেল দুই প্রকার হতে পারে :-

(ক) নির্ধারিত স্কেল : যে বেতন স্কেল একটি মাত্র বেতন ধাপেই সীমাবদ্ধ, সেই বেতন স্কেলকে নির্ধারিত বেতন স্কেল বলা হয়।

গুগল নিউজ হতে আপডেট ” নিউজ হতে আইবাস++ ও সরকারি নিউজের আপডেট সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

টাইম স্কেল কি ?

(খ) টাইম স্কেল : যে বেতন স্কেল (১) সর্বনিম্ন ধাপ, (২) একটি সর্বোচ্চ ধাপ এবং (৩) এক বা একাধিক বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধির হার থাকে সেই বেতন স্কেলকে টাইমস্কেল বলা হয় (বিএসআর ৫ (৫৫)/এফআর ৯(৩১)। কতকগুলো টাইমস্কেলে ইবি শব্দটি দেখা যায়, আসলে উহা এফিসিয়েন্সি বার (দক্ষতা সীমা)। (বিএসআর ৪৬) একজন সরকারি কর্মচারীকে সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ডের ভিত্তিতে ৮.১২.১৫ বছর পূর্তিতে যে স্কেল প্রাপ্য হন তাকে টাইম স্কেল বলা হয় ।

সিলেকশন গ্রেড কি ?

(গ) সিলেকশন গ্রেড স্কেল : কিছু কিছু পদে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারীগণকে নির্দিষ্ট সময়ের পর এই স্কেল প্রদান করা হয়। এই স্কেল পদোন্নতিজনিত কারণে নয় এবং এর কারণে ডিএনআই তারিখ এর পরিবর্তন ঘটে না ।

(ঘ) ল্যাটারাল এন্ট্রি (Literal Entry) : কোন ক্যাডারের মধ্যবর্তী পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের যে বিধান রয়েছে তাকে ল্যাটারাল এন্ট্রি বলে। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সকল ক্যাডারে ল্যাটারাল এন্ট্রির ব্যবস্থা নেই। কেবলমাত্র স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্যাডারে নির্ধারিত হারে সহকারী/সহযোগী অধ্যায়ক এবং অধ্যাপক পদে সরাসরি নিয়োগের বিধান রয়েছে। যা ল্যাটারাল এন্ট্রি হিসাবে গণ্য ।

বেতন গ্রেড কী ?

বেতন গ্রেড : জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫, ১ম হতে ২০তম গ্রেডে ভাগ করা হয়েছে। এটিই বেতন গ্রেড ।

*১ম শ্রেণী-১ম হতে ৯ম গ্রেড ।
* ২য় শ্রেণী – ১০ম গ্রেড ।
*৩য় শ্রেণি- ১১-১৬ তম গ্রেড।
*৪র্থ শ্রেণি-১৭-২০ তম গ্রেড ।
১ম থেকে নবম গ্রেড (১ম  শ্রেণী) :
১ম থেকে নবম গ্রেডে নিয়োগ দেন সয়ং প্রেসিডেন্ট। এই গ্রেডসমূহের ভিতর যিনি নিয়োগপ্রাপ্ত হন তিনি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা বা গেজেটেড অফিসার বা ক্যাডার। এরা সর্বাধিক বেতন তার সাথে সেই সঙ্গে অন্য গ্রেডের অফিসারদের তুলনায় অধিক সুযোগ সুবিধা পান। সামগ্রিক দিক বিবেচনায় এদের মর্যাদা এবং দায়-দায়িত্ব এবং সুযোগ সুবিধার পরিধি তুলনা মূলক ভাল অবস্থানে আছে। এই গ্রেডের উপরে রয়েছে সচিব বা মূখ্য সচিব।
পিএসসি কর্তৃক নিয়োগকৃত ২৭ প্রকারের চাকরিকে ক্যাডার তার সাথে পিএসসি কর্তৃক নিয়োগকৃত আদার্স রাষ্ট্রীয় চাকরিকে নন-ক্যাডার চাকরি জানানো হয়।
নন-ক্যাডার চাকরি গ্রেড ৯ হলে ১ম শ্রেণি তার সাথে গ্রেড ১০ হলে দ্বিতীয় জানানো হয় ক্যাডার আর নন-ক্যাডার চাকরি এর ভিতরে নিমিত্ত পার্থক্য হল, ক্যাডারগণ প্রমোশন পেয়ে নীতিনির্ধারক অবস্থায় যেতে পারেন, যা কিনা নন-ক্যাডারগণ যেতে পারেন না। প্রায় সব ক্যাডারই অন্তুত মেক্সিমাম গ্রেড পর্যন্ত যেতে পারেন, অন্যদিকে নন-ক্যাডারে বেশির ভাগ পদই ব্লক পোস্ট।


বিসিএস ক্যাডার মূলতঃ দুই শ্রেনীভেদ জেনারেল (পুলিশ, এডমিন, পররাষ্ট্র ইত্যাদি) এবং টেকনিক্যাল (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক ও জনপদ ইত্যাদি)।
জেনারেল ক্যাডারে যে কেউ যে কোন সাবজেক্ট থেকে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি করার জন্য পারেন, কিন্তু টেকনিক্যাল ক্যাডারে চাকরি করতে হলে নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা লাগবে। যেমন, এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ সরকারী চিকিৎসক হয়ে চাকরি করার জন্য পারবেন না।
এদের চেনার উপায় হল, সরকারি যে কোন অফিসে ৪ ধরনের স্টাফ থাকে। যার মধ্যে রয়েছে ক্যাডার, তার নীচে অফিসার তার নীচে কর্মচারী। এদের মাঝে ১ম, ২য় এদের গেজেটেড অফিসার ।

১০ম গ্রেড (দ্বিতীয় শ্রেণি) :
২য় শ্রেণির ভিতরে শুধুমাত্র মাত্র ১টি গ্রেড ই আছে। সেটি হলো ১০ম গ্রেড। এই গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত পুলিশের এসআই দ্বিতীয়, প্রাথমিক উত্তম গুরু এবং সরকারি হাই বিদ্যালয়ের অ্যাসিসটেন্ট শিক্ষক।
১১-১৬ তম গ্রেড ( তৃতীয় শ্রেণি) :
১১ হতে ১৬ তম গ্রেড তৃতীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
প্রাইমারি অ্যাসিসটেন্ট শিক্ষক তৃতীয় শ্রেণির তার সাথে সকল ডিপার্টমেন্টের অফিস সহকারী, কম্পিটার অপারেটর/ ষাট মুদ্রাক্ষরিক তৃতীয় শ্রেণির।
১৭-২০তম গ্রেড (চতুর্থ শ্রেণি) :
চতুর্থ শ্রেণির মধ্যে আছে ১৭ হতে ২০তম গ্রেড।অফিস সহায়ক চতুর্থ শ্রেণির যার স্কেল ৮,২৫০ যেমন প্রাইমারি স্কুলের পিওন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন গ্রেডে কত বেতন ও সরকারি ভাতা রয়েছে।
মূল বেতন ও অন্যান্যঃ
সরকারি জবে সর্বনিম্ন নিমিত্ত বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা আর সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা সুপারিশ করে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা জনিত পে-কমিশনের প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে।
২০টি গ্রেডে পেশ করা পে কমিশনের সুপারিশে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা সুপারিশ করা হলেও, এই স্কেলের বেতন ভাতাসহ টাকার হিসাব দাঁড়াবে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

প্রথম স্কেলে বাসা ভাড়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে হেতু বেতনের ৫০ শতাংশ বা ৪০ হাজার টাকা। এর পাশাপাশি সেবা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা, ডোমেস্টিক এইড ভাতা ৩ হাজার টাকা, উৎসব ভাতা ১৩ হাজার ৩৩ টাকা, আপ্যায়ন ভাতা ৩ হাজার টাকা ও শিক্ষা ভাতা ২ হাজার টাকা করা অন্যান্য ভাতা ও সুবিধাদিঃ
মূলবেতনের একসাথে সরকারি চাকরিতে কতিপয় ভাতা তার সাথে সুবিধা প্রধান করা হয়।

রিলেটেড ট্যাগঃ সিলেকশন গ্রেড কি ?,বেতন গ্রেড কি ,বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন,বেতন নির্ধারণ কি,বেতন গ্রেড কি,বেতন স্কেল কি ?,টাইম স্কেল কি ? বেতন কী,

Reply

error: Content is protected !!